সোমবার, জুলাই ১৫, ২০২৪
বছরে ৯১ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানে 
বছরে ৯১ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানে 

বছরে ৯১ হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানে 

প্রতিষিদ্ধ প্রতিবেদক
প্রকাশের সময় : June 03, 2024 | অর্থনীতি

বাংলাদেশ থেকে বছরে ৯১ হাজার ২৫০ কোটি টাকার বেশি পাচার হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি- বাজুস। পুরো এই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে চোরাকারবারিরা বিদেশে পাচার করে থাকে বলে জানায় বাজুস। স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে এসব টাকা পাচার হয়। সোমবার (৩ জুন) বাজুস কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাজুস।

সম্মেলনে বাজুসের উপদেষ্টা রুহুল আমিন রাসেল, বাজুস কার্যনির্বাহী কামিটির সহ-সভাপতি ও বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন অ্যান-স্মাগলিং অ্যান্ড ল এনফোর্সমেন্টের চেয়ারম্যান মো. রিপনুল হাসান, সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান, কার্যানির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রিপনুল হাসান বলেন, প্রতিদিন দেশের জল, স্থল ও আকাশপথে কমপক্ষে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার অবৈধ সোানার অলংকার, সোনার বার, ব্যবহৃত পুরোনো জুয়েলারি (যা ভাঙারি হিসাবে বিবেচিত হয়) ও হীরার অলংকার (ডায়মন্ড জুয়েলারি) চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। যা ৩৬৫ দিন বা বছর শেষে যার পরিমাণ প্রায় ৯১ হাজার ২৫০ কোাটি টাকার বেশি।

প্রতিদিন গড়ে ২২০ কোটি টাকার সোনা ও সোনার অলংকার এবং ৩০ কোটি টাকার হিরা ও হিরার অলংকার আসে। সে হিসাবে এক বছরে ৮০ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সোনা ও ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার হীরা অবৈধভাবে আসছে। পুরো এই টাকা হুন্ডির মাধ্যমে সোনা ও হীরা চোরাকারবারিরা বিদেশে পাচার করে থাকে। 

সম্মেলনে বাজুসের পক্ষ থেকে কয়েকটি সুপারিশও করা হয়। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, হীরা চোরাচালানে জডিতদের ধরতে আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলাোর জোরালো অভিযান পরিচালনা করা, সোনা ও হীরা চোরাচালান প্রতিরোধে বাজুসকে সম্পৃক্ত করে পৃথকভাবে সরকারি মনিটারিং সেল গঠন, ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমে সোনার বার আনা বন্ধ করা, ব্যাগেজ রুল সংশোধনের মাধ্যমে সোনার বার আনা বন্ধ করা, ট্যাক্স ফ্রি সোনার অলংকারের ক্ষেত্র ১০০ গ্রামের পরিবর্তে সর্বাচ্চ ৫০ গ্রাম করা, একই ধরনের অলংকার দুটির বেশি আনা যাবে না।