মোঃমোরছালিন, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বড়পুকুরিয়া শাহ সুফি দ্বিমুখী বালিকা মাদ্রাসার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আইনুদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে বিধি মোতাবেক ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে নিয়োগ বোর্ডের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন ডিজির প্রতিনিধি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক জি. এম. সামছুল আলম এবং পাঁচবিবি উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নৈশ্যপ্রহরীর পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আইনুদ্দিন ও তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পাঁচবিবি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদ মণ্ডল প্রার্থী শাহিনুর রহমানের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, শাহিনুরের বাবা প্রয়াত মনসুর রহমান একই মাদ্রাসায় নৈশ্যপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আইনুদ্দিন বলেন, আজকে সহকারী ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ও নৈশ্যপ্রহরী এই দুইটি পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। নিয়োগ বোর্ড সম্পূর্ণভাবে বিধি মোতাবেক পরিচালিত হচ্ছে এবং কমিটির সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ডিজির প্রতিনিধি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক জি. এম. সামছুল আলম বলেন, আজ দুইটি পদের পরীক্ষা হয়েছে। নিয়োগ কার্যক্রম সঠিক ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়েছে। ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ জন অংশ নিয়েছেন। কেউ অভিযোগ করতে চাইলে লিখিতভাবে দিলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এলাকাবাসী বিষয়টির স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছেন।
