ফেলানী হত্যা দিবসে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি লেবার পার্টির

ফেলানী হত্যা দিবসে সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিক হত্যার পুনরাবৃত্তি গভীর উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ফেলানী হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের ওপর নির্মম আঘাত। দুঃখজনক হলেও সত্য, বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা বন্ধ হয়নি। বরং তা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে, যা আধিপত্যবাদী আগ্রাসনেরই বহিঃপ্রকাশ।

ডাঃ ইরান বলেন, সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশী নাগরিকদের গুলি করে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার সনদের সরাসরি লঙ্ঘন। অথচ দেশের ভেতরে পতিত ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার বারবার নীরবতা ও আত্মসমর্পণমূলক আচরণের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডকে পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফেলানী হত্যার বিচার আজও সম্পূর্ণ না হওয়া সীমান্ত হত্যাকারীদের দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করেছে। এই দায়মুক্তির জন্য যেমন সীমান্তে হত্যাকারী শক্তি দায়ী, তেমনি দায়ী জনগণের স্বার্থবিরোধী ও বিদেশি আধিপত্যের কাছে নতজানু তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকার।

তাই অবিলম্বে সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা বন্ধ, খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার এবং জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানায় বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *