সিলেট জেলা ছাত্রলীগের নেতা- কর্মীরা সভাপতির নেতৃত্বে আত্মসমর্পণ করতে পারেন। এমন ধারণা করা হচ্ছে ছাত্রলীগ সভাপতি নাজমুল ইসলামের দেয়া সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও সেখানে অনুসারীদের করা মন্তব্য থেকে। এ নিয়ে সিলেটে নানা আলোচনা চলছে।
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নাজমুল ইসলাম ওই পোস্টে লিখেছেন- একজন রাজনৈতিক কর্মীর জন্য কারাগার দ্বিতীয় বাড়ির মতো, আমরা যারা ভবিষ্যতে দেশে রাজনীতি করার ইচ্ছা আছে আমাদের প্রত্যেককেই আত্মসমর্পণ করার প্রস্তুতি নিতে হবে, আদালতে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে আমি/আমরা নির্দোষ নাকি অপরাধী? ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই আমি এই কাজটি করব; কাপুরুষের মতো পালিয়ে থেকে বাঁচার চেয়ে কারাগারে বীরের মতো মৃত্যুবরণ করাটাই আমার কাছে সম্মানের।
গত ১২ মার্চ বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তার ফেসবুক পেজে এই পোস্টটি দেন ছাত্রলীগ সভাপতি। অনুসারীদের অনেকেই তার এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদও জানাচ্ছেন।
মন্তব্যের ঘরে সিলেট জেলা ছাত্রলীগ কর্মী হুমায়ুন জনি লিখেন, আর ভাল্লাগে না ভাই। হই ঐক্য রাজনীতির পাঠশালা কারাগারে থেকে নতুন করে শুরু করি। শরিফ আরাফাত চৌধুরী নাজাত লিখেন, চলো সবাই একসঙ্গে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলে জেলে যাই।
ফুয়াদ আল আমিন লিখেন, এই সাহস যদি করেন ভাই বিশ্বাস করেন বাংলাদেশের জুলাইয়ের আন্দোলনে নেতাকর্মীদের আলাদা একটি শক্তি সঞ্চালন করবে। আপনার সভাপতি হওয়াটা যেমন অবাক ইতিহাস এমন আরেক ইতিহাস হয়ে থাকবেন। বেশ কয়েকজন লিখেন- ‘ইনশাআল্লাহ সর্বদা প্রস্তুত।’
কামরান আহমদ লিখেন- সাধারণ কর্মীরা কি চায় আপনাদের কাছে এটা আপনারা জানতে হবে। কর্মীরা আপনাদের কাছে টাকাপয়সা কিছুই চাই না, ক্ষমতায় থাকাকালেও চায়নি। এখনো সময় আছে আপনার কর্মীদের খোঁজখবর নেন এদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এরা রাজপথে থাকলেই আপনারা ফিরতে পারবেন। আওয়ামী লীগ খুব শিগগিরই রাজপথে ব্যাক করবে আপনার আপনাদের মুখ তখন কিভাবে দেখাবেন একটু চিন্তা করুন?
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর নাজমুল ইসলাম ভারত হয়ে সৌদিতে অবস্থান করছেন, এখন তিনি সেখানেই। তাই ফোনও বন্ধ।
